বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে লড়াই করে হারল বাংলাদেশ

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৩২ রানের পরাজয় দিয়ে নিজেদের বিশ্বকাপ মিশন শুরু করল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। দারুণ বোলিং করেও ব্যাটিং ব্যর্থতার কবলে পড়ে এই ম্যাচে জয় তুলে নিতে ব্যর্থ হয় নিগার সুলতানা জ্যোতির দল।

টসে জিতে আগে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি। ব্যাটিং অপেক্ষা বোলিংয়ে অধিক শক্তিশালী বাংলাদেশের এমন সিদ্ধান্ত যথার্থ প্রমাণ করেন বোলাররা। দারুণ বোলিংয়ে দক্ষিণ আফ্রিকাকে অলআউট করে টাইগ্রেসরা।

দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে ইনিংস ওপেন করতে এসে উদ্বোধনী জুটিতে ৩০ রান যোগ করেন লরা ওলভার্ড ও তাজমিন ব্রিটস। ৮ রান করে ব্রিটস আউট হয়ে গেলে ভাঙ্গে সেই জুটি। বাংলাদেশকে প্রথম সাফল্য এনে দেন ফারিহা তৃষা। তবে আরেক ওপেনার লরা ওলভার্ড দৃঢ়তার পরিচয় দেন। ওয়ান ডাউনে নামা লারা গোডালের সঙ্গে গড়েন ৩৯ রানের জুটি। ওলভার্ডকে বোল্ড করে টাইগার শিবিরে স্বস্তি ফেরান ঋতু মণি।

এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে প্রোটিয়ারা। তবে ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে ম্যারিজান ক্যাপ ও ক্লোয়ি ট্রায়ন প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। ৬৮ বল থেকে ৭১ রানের জুটি গড়ে দলকে লড়াই করার মত স্কোর এনে দেন এই দুইজন। ৪৫ বলে ৪২ রান করা ক্যাপকে আউট করেন অভিজ্ঞ জাহানারা আলম। ৪০ বলে ৩৯ রান আসে ট্রায়নের ব্যাট থেকে। তাকে ফেরান পেসার ফারিহা তৃষা।

এই দুইজনের বিদায়ের পর বলার মত কিছু করতে পেরেনি দক্ষিণ আফ্রিকার লোয়ার অর্ডার। ইনিংসের এক বল বাকি থাকতে ২০৭ রানে অলআউট হয়ে যায় তারা। বাংলাদেশের পক্ষে সেরা বোলিং ফিগার ফারিহা তৃষার। ১০ ওভার বল করে ৩৫ রান দিয়ে তিন উইকেট নিয়েছেন বাঁহাতি পেসার। জাহানারা ও ঋতু মণি নিয়েছেন দু’টি করে উইকেট।

জবাব দিতে নেমে শুরুটা দারুণ করেছিল বাংলাদেশ। উদ্বোধনী জুটিতেই আসে ৬৯ রান। শামিমা সুলতানাকে বোল্ড করে প্রথম ধাক্কাটা দেন আয়বঙ্গা খাকা। ইয়র্কার লেন্থের বলের লাইন মিস করে প্যাভিলিয়নে ফেরত যান ৫০ বলে দু’টি চারের মারে ২৭ রান করা এই উদ্বোধনী ব্যাটার। ২২তম ওভারে আবারও আঘাত হানেন খাকা। এবারের শিকার ৭৭ বলে ৩৪ রান করা আরেক ওপেনার সুপ্তি।

এক বল বাদেই আবারও উইকেট হারায় বাংলাদেশ। এবারও সেই খাকাতেই পরাস্ত চার নম্বরে নামা মুর্শিদা খাতুন। ২ বল থেকে কোন রান না করেই ফিরে যান তিনি। মাত্র ৩ রানের ব্যবধানে ৩ উইকেট হারালে হাতের মুঠোয় থাকা ম্যাচ কঠিন হয়ে যায় বাংলাদেশের জন্য।

২৭তম ওভারে ফারজানা হক রান আউটের শিকার হলে মাত্র ৮৫ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকে বাংলাদেশ।

বিস্তারিত আসছে