স্বাস্থ্যে প্রধানমন্ত্রীর নোবেল পাওয়া উচিত: বিএসএমএমইউ ভিসি

করোনাকালে টিকাদানসহ স্বাস্থ্যখাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে অবদান রেখেছেন তাতে তাঁর নোবেল পাওয়া উচিত বলে মনে করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. শারফুদ্দিন আহমেদ।

বুধবার (৩০ মার্চ) দুপুরে বিএসএমএমইউয়ের ডা. মিল্টন হলে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকীর সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএসএমএমইউর ভিসি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা করোনামুক্ত দেশে পদার্পণ করতে যাচ্ছি। করোনা মোকাবেলায় আমরা সাউথ এশিয়াতে প্রথম এবং সারাবিশ্বে ২৬তম অবস্থানে আছি। করোনাকালে আমাদের অর্থনীতি যে পর্যায়ে উন্নীত হয়েছে পৃথিবীর ইতিহাসে এমন একটাও দেশ নেই। এটা সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর দক্ষ নেতৃত্বে। করোনাকালে তিনি ৪১ হাজার কোটি টাকা স্বাস্থ্যখাতকে বরাদ্দ দিয়েছেন। শিক্ষক, ইমাম, কৃষক-শ্রমিক সবাইকে ১০০ কোটি টাকা প্রণোদনা প্রদান করেছেন। এক কোটি বিশ লাখ মানুষকে একদিনে টিকা প্রদান করেছেন, এই একটাতেই নোবেল পুরস্কার পাওয়া যায়। যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পাওয়া উচিত। তিনি ভ্যাকসিন হিরো হিসেবে সারা পৃথিবীকে দেখিয়ে দিয়েছেন।’

প্রধানমন্ত্রী ও তার দলকে ৪১ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় রাখতে হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা এই দেশকে মালয়েশিয়া-সিঙ্গাপুর পর্যায়ে নিয়ে যেতে চাই। সেজন্য প্রধানমন্ত্রীর হাতকে শক্তিশালী করতে। এমনকি সেই লক্ষ্যে আমাদের কাজ করতে হবে এবং ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে লড়তে হবে। বঙ্গবন্ধু কন্যার ক্ষমতার ধারাবাহিকতা না থাকলে উন্নয়ন হবে না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার দলকে ২০৪১ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় রাখতে হবে।’

পেশাভিত্তিক প্রশাসন গড়ার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর সময়ে হেলথ সেক্রেটারি করা হয়েছিল একজন চিকিৎসককে। কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন গঠন করা হয়েছিল একজন শিক্ষাবিদকে দিয়ে। যার যে অভিজ্ঞতা আমরা যদি সেভাবে তাদের কাজে লাগাতে পারি, তাহলে প্রত্যেক সেক্টরেই আমরা উন্নত হতে পারব।’

স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে মন্ত্রীদের নিয়ে বিশেষজ্ঞ টিম করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, মন্ত্রীসহ কর্তাব্যক্তিরা যদি তাদের পরামর্শ মতো কাজ করেন, তাহলে দেশ আরও সামনের দিকে এগিয়ে যাবে।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও ইউজিসির সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এ কে আজাদ চৌধুরী। এছাড়াও অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএসএমএমইউয়ের উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. জাহিদ হোসেন, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. একেএম মোশাররফ, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, সার্জারি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ হোসেন প্রমুখ।