মাল‌য়ে‌শিয়ায় আটক সা‌বেক হাইকমিশনারকে দ্রুত দে‌শে আনা হ‌বে

মালয়েশিয়ায় আটক বাংলাদেশের সাবেক হাইকমিশনার এম খায়রুজ্জামানকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনা হবে ব‌লে জা‌নি‌য়ে‌ছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহ‌রিয়ার আলম। বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণাল‌য়ে সাংবা‌দিক‌দের এ কথা জানান প্রতিমন্ত্রী।

তিনি ব‌লেন, সাবেক হাইকমিশনার এম খায়রুজ্জামানকে গ্রেফতারের বিষয়ে মালয়েশিয়া আমাদের চিঠি দিয়ে জানিয়েছে। তাকে ইমিগ্রেশন আইনের আওতায় গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে সেখানে কারা অন্তরীণ করে রাখা হয়েছে। আমরা আমাদের দূতাবাসে বলেছি। যত দ্রুত সম্ভব তাকে দেশে ফেরত আনার চেষ্টা করছি।

শাহ‌রিয়ার আলম ব‌লেন, কোনো দেশে বাংলাদেশের কেউ ইমিগ্রেশন আইন ভঙ্গ করলে দেশে ফেরত আনার চেষ্টা করা হয়। সেই দেশও তাকে ফিরিয়ে দেয়। তা‌কেও খুব দ্রুত ফিরিয়ে আনা হবে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, জেল হত্যা মামলা থেকে এম খায়রুজ্জামান খালাস পেয়েছিলেন। তবে কীভাবে খালাস পেয়েছিলেন, সেটা বিবেচনার সুযোগ রয়েছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে তিনি সেখানে হাইকমিশনার নিযুক্ত হন।

মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন পুলিশ বুধবার সকালে বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রদূত এম খায়রুজ্জামানকে আটক করে। তাকে দেশটির সেলাঙ্গর প্রদেশের আমপাং এলাকা থেকে আটক করা হয়। মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের হাইকমিশনারের দায়িত্ব পালন শেষে এক যুগের বেশি সময় ধরে দেশটিতে শরণার্থী হিসেবে ছিলেন তিনি।

খায়রুজ্জামান সাবেক সেনা কর্মকর্তা। ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে জাতীয় চার নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, এম মনসুর আলী ও এ এইচ এম কামারুজ্জামান হত্যা মামলার অন্যতম আসামি ছিলেন তিনি। ওই হত্যাকাণ্ডের পর তার চাকরি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়। ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি মিয়ানমার, মিসর ও ফিলিপাইনে বাংলাদেশ মিশনে বিভিন্ন পদে কাজ করেছেন খায়রুজ্জামান।