চাঁদাবাজি রোধে পুলিশ সদর দফতরের কঠোর নির্দেশ

পবিত্র রমজান ও আসন্ন ঈদকে কেন্দ্র করে চাঁদাবাজি রোধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে পুলিশ। সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ বা তথ্য ছাড়া মহাসড়ক অথবা সড়কে চলাচলকারী পণ্যবাহী কোনো গাড়ি থামানো যাবে না বলে নির্দেশ দিয়েছে পুলিশ সদর দফতর।

মঙ্গলবার (০৫ এপ্রিল) পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে অনুষ্ঠিত ফেব্রুয়ারি-২০২২ মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনাসংক্রান্ত এক ভার্চুয়াল সভায় মাঠ পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদের এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

অতিরিক্ত আইজি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন্স) এম খুরশীদ হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় সব মেট্রোপলিটন কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি ও জেলার পুলিশ সুপাররা যুক্ত ছিলেন।

সভায় এআইজি (ক্রাইম ইস্ট) মো. জালাল উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী ফেব্রুয়ারি-২০২২ মাসের সার্বিক অপরাধ পরিস্থিতি তুলে ধরেন।

বাংলাদেশ পুলিশ এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) মো. কামরুজ্জামান সভায় এমন নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন।

দস্যুতা, খুন, দ্রুতবিচার, দাঙ্গা, অপহরণ, পুলিশ আক্রান্ত, সিঁধেল চুরি ও চুরিসংক্রান্ত মামলা জানুয়ারি তুলনায় ফেব্রুয়ারি মাসে কমেছে বলে সভায় উল্লেখ করা হয়। তবে জানুয়ারি মাসের তুলনায় ফেব্রুয়ারি মাসে নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা কিছুটা বেড়েছে। অপর দিকে, নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা গত বছরের একই সময় অর্থাৎ ফেব্রুয়ারির তুলনায় অনেক কমেছে।

এছাড়া উদ্ধারজনিত মামলা গত জানুয়ারি মাসের তুলনায় ফেব্রুয়ারি মাসে বেড়েছে। সামগ্রিকভাবে আলোচ্য ফেব্রুয়ারি মাসে পূর্ববর্তী জানুয়ারি মাসের তুলনায় মামলার সংখ্যা কমেছে বলে সভায় উল্লেখ করা হয়।

সভায় অতিরিক্ত আইজি এম খুরশীদ হোসেন বলেন, রোজা এবং ঈদকে কেন্দ্র করে শপিং মল, মার্কেটের নিরাপত্তা জোরদার করতে হবে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার বা গুজব ছড়িয়ে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যাতে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে না পারে সে ব্যাপারে তৎপর থাকতে হবে। তিনি যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখতে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সভায় বিট পুলিশিং কার্যক্রম আরও গতিশীল করার মাধ্যমে জনগণের দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।