করোনায় সংক্রমণ ও মৃত্যু কমেছে, বেড়েছে শনাক্তের হার

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যুর সংখ্যা আগের দিনের তুলনায় দ্বিগুণ কমেছে। গত একদিনে চারজন মারা গেছেন প্রাণঘাতী ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে, আগের দিনে যে সংখ্যাটি ছিল আটজনে। নতুনদের নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ৭৯ জনে।

একই সময়ে কমেছে শনাক্তের সংখ্যাও। গত একদিনে ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ৪৩৬ জন, আগের দিনে যা ছিল ৫২৯ জন।

তবে এই সময়ে শনাক্তের হার আগের দিনের তুলনায় বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ২.১৮ শতাংশ। আগের দিনে এই হার ছিল ২ দশমিক ১১।

সোমবার (৭ মার্চ) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপপরিচালক ডা. মো. জাকির হোসেন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ৮৭৬টি করোনা পরীক্ষাগারে ২০ হাজার ৭৬টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এর মধ্যে ২০ হাজার ৯টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এ নিয়ে মোট নমুনা পরীক্ষা সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক কোটি ৩৫ লাখ ৪৬ হাজার ৯৫০টি। এসব পরীক্ষায় ৪৩৬ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। ফলে দেশে মোট করোনা রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ১৯ লাখ ৪৭ হাজার ৭০২ জন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, একদিনে মৃত চারজনের মধ্যে পুরুষ তিনজন ও নারী একজন। তাদের সবাই সরকারি হাসপাতালে মারা যান।

এখন পর্যন্ত যারা মারা গেছেন তাদের মধ্যে মোট ১৮ হাজার ৫৬৯ জন পুরুষ (৬৩ দশমিক ৮৪ ভাগ) ও ১০ হাজার ৫২০ জন নারী (৩৬ দশমিক ১৬ ভাগ)।

গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন আরও তিন হাজার ৫৪৬ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থের সংখ্যা দাঁড়াল ১৮ লাখ ৪৬ হাজার ৮৮৪ জনে।

বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃতদের মধ্যে একুশ বছরের বেশি একজন, ষাটোর্ধ্ব দুইজন এবং একাত্তর বছরের বেশি বয়সী একজন রয়েছেন। যাদের মধ্যে ঢাকায় তিনজন এবং সিলেটে একজন রয়েছেন।

২০১৯ এর ডিসেম্বরে চীনের উহান থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস পৃথিবীজুড়ে মহামারীতে রূপ নেয়। বাংলাদেশে প্রথম করোনায় আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয় গত বছর ৮ মার্চ। এরপর একই বছরের ১৮ মার্চ দেশে করোনায় প্রথম মৃত্যু হয়।