একদিনে করোনায় মৃত্যু কমেছে, বেড়েছে শনাক্তের হার

প্রাণঘাতী ভাইরাস করোনায় আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু কিছুটা কমেছে। ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে একদিনে আরও ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। গতদিন এই সংখ্যাটা ছিল ১৩। নতুনদের নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ৭৫ জনে।

একই সময়ে আরও ৫২৯ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। যা আগের দিনের তুলনায় বেশি। গতদিনে ৩৬৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল সারা দেশে। নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ২.৬৩। গতকাল এই হার ছিল ২ দশমিক ১১।

রোববার (৬ মার্চ) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপপরিচালক ডা. মো. জাকির হোসেন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ৮৭৬টি করোনা পরীক্ষাগারে ২০ হাজার ৬২টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এর মধ্যে আগের কিছুসহ মোট ২০ হাজার ১৩২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এ নিয়ে মোট নমুনা পরীক্ষা সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক কোটি ৩৫ লাখ ২৬ হাজার ৯৪১টি। পরীক্ষায় আরও ৫২৯ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। ফলে দেশে মোট করোনা রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ১৯ লাখ ৪৭ হাজার ২৬৬ জন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, একদিনে মৃত ৮ জনের মধ্যে পুরুষ ছয়জন ও নারী দুইজন। তাদের মধ্যে ৭ জন সরকারি এবং একজন বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন। মৃতদের মধ্যে এখন পর্যন্ত মোট ১৮ হাজার ৫৬০ জন পুরুষ (৬৩ দশমিক ৮৩ ভাগ) ও ১০ হাজার ৫১৭ জন নারী (৩৬ দশমিক ১৭ ভাগ) রয়েছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন আরও চার হাজার ১৮ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থের সংখ্যা দাঁড়াল ১৮ লাখ ৪৩ হাজার ৩৩৮ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার শতকরা ২ দশমিক ৬৩ শতাংশ। এ পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ৪০ ভাগ এবং শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯৪ দশমিক ৬৬ ভাগ এবং মৃত্যুর হার এক দশমিক ৪৯ ভাগ।

বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃতদের মধ্যে ত্রিশোর্ধ্ব একজন, চলিশোর্ধ্ব একজন, পঞ্চাশোর্ধ্ব একজন এবং ষাটোর্ধ্ব পাঁচজন। যাদের মধ্যে ঢাকায় চারজন, চট্টগ্রামে দুইজন এবং খুলনায় দুইজন রয়েছেন।

২০১৯ এর ডিসেম্বরে চীনের উহান থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস পৃথিবীজুড়ে মহামারীতে রূপ নেয়। বাংলাদেশে প্রথম করোনায় আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয় গত বছর ৮ মার্চ। এরপর একই বছরের ১৮ মার্চ দেশে করোনায় প্রথম মৃত্যু হয়।