‘জৈব অস্ত্র প্রকল্পে সহায়তা করেছিল যুক্তরাষ্ট্র’

ইউক্রেনের জৈব অস্ত্র প্রকল্পে সহায়তায় বিষয়টি স্বীকার করেছেন যুক্তরাষ্ট্র। শুক্রবার (১ এপ্রিল) হোয়াট হাউসের এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি স্বীকার করেন প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের মুখপাত্র জেন সাকি।

সংবাদ সম্মেলনে সাকি বলেন, ‘‘রাশিয়া জৈব ও রাসায়নিক অস্ত্র মোতায়েন করতে পারে এমন শঙ্কা থেকে আমরা ইউক্রেনে এই প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ পাঠিয়েছিলাম। ইউক্রেনের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে অস্ত্র নির্মাণ প্রকল্পের কাজ শুরুর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল এবং এ বিষয়ক সহায়তা দেওয়া হয়েছিল।’’ খবর রয়টার্স।

মস্কো কর্তৃক রাসায়নিক, জৈবিক বা পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েনের ক্ষেত্রে নজরদারির জন্য একটি বিশেষজ্ঞ দলও গঠন করা হয়েছে বলে জানান হোয়াট হাউস মুখপাত্র। ইউক্রেনে গ্যাস মাস্ক এবং অন্যান্য সুরক্ষামূলক সরঞ্জাম সরবরাহের বিষয়টিও স্বীকার করেন তিনি।

যুদ্ধের শুরু থেকেই রাসায়নিক ও জীবাণু অস্ত্রের ব্যবহার নিয়ে পরস্পরের সাথে বাক্ যুদ্ধ চালিয়ে আসছে ইউক্রেন-রাশিয়া। যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ইউক্রেনে জীবাণু অস্ত্র কর্মসূচিতে অর্থায়নের অভিযোগ করেছে মস্কো।

গত ১২ মার্চ রুশ বাহিনীর উদ্ধার করা নথির বরাত দিয়ে ২০০৫ সাল থেকে ইউক্রেনের জৈব ও রাসয়ানিক অস্ত্র প্রকল্পে অর্থায়নের অভিযোগ তুলে মস্কো। মস্কোর অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করলেও ইউক্রেনীয় প্রকল্পে অর্থায়নের বিষয়টি অনানুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আন্ডার সেক্রেটারি ভিক্টোরিয়া নুল্যান্ড।