‘আন্তর্জাতিক জোট’ গড়তে সৌদি যাচ্ছেন জনসন

রুশ আগ্রাসনের বিরুদ্ধে একটি ‘আন্তর্জাতিক জোট’ গঠনের চেষ্টা চালাচ্ছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে পশ্চিমাদের প্রাচীন মিত্র রাষ্ট্র সৌদি আরব সফর করছেন তিনি।

অঞ্চলটি থেকে জ্বালানী সরবরাহ নিশ্চিতের বিষয়টি প্রাধান্য পাবে তার সফরে। তার বক্তব্য রাশিয়ান তেল ও গ্যাস থেকে ‘নিজেকে মুক্ত করা’ দরকার। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর মতে, পশ্চিমারা যদি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের দ্বারা ‘ব্ল্যাকমেল’ হওয়া এড়াতে চায় তবে অন্যান্য শীঘ্রই অংশীদারিত্ব অন্বেষণ করতে হবে।

তেল-গ্যাসের বৈশ্বিক বাজারে রুশ বিরোধী আন্তর্জাতিক জোট গঠনের প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘‘আমরা যে নতুন বাস্তবতার মুখোমুখি হচ্ছি তার সাথে মোকাবিলা করার জন্য যুক্তরাজ্য একটি আন্তর্জাতিক জোট তৈরি করছে৷ বিশ্বকে অবশ্যই রাশিয়ান হাইড্রোকার্বন থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে নিতে হবে এবং তেল ও গ্যাসের প্রতি পুতিনের আসক্তিকে রুখতে হবে৷’’

বুধবার (১৬ মার্চ) মধ্যপ্রাচ্য সফরের অংশ হিসেবে সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবতরণ করেন জনসন। আবুধাবি বিমানবন্দরে সংযুক্ত আরব আমিরাতে নিযুক্ত ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত প্যাট্রিক মুডি তার সাথে দেখা করেন। সৌদির ডিফ্যাক্টো শাসক প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের সাথে দেখা করতে রিয়াদে যাওয়ার আগে আবুধাবিতে ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন জায়েদের সাথে তার প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

তবে সৌদির বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ ওঠার পর জনসনের সফরের সমালোচনা করেছেন দেশটির একাধিক আইন প্রণেতা। বেশ কয়েকজন ব্রিটিশ সাংসদ প্রধানমন্ত্রীকে তার সফর বাতিলের আহ্বান জানিয়েছেন।