আজ নায়ক সালমান শাহ’র ২৬তম মৃত্যুবার্ষিকী

আজ ৬ই সেপ্টেম্বর। বাংলা চলচ্চিত্রের সবচেয়ে জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সালমান শাহ’র ২৬’তম মৃত্যুবার্ষিকী। মৃত্যুর ২৬ বছর পরও তার জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়েনি। বরং তার ভক্তরা তাকে আইডল হিসেবে মনে রেখেছে। অভিনয় দক্ষতা দিয়ে তিনি দর্শকের মনে চিরস্থায়ী জায়গা করে নিয়েছেন। দেশের চলচ্চিত্রে ফ্যাশন আইকন হিসেবেও তিনি পরিচিত। 

সালমান শাহ’র জন্ম ১৯৭১ সালের ১৯শে সেপ্টেম্বর সিলেট জেলার জকিগঞ্জ উপজেলায়। তার পিতার নাম কমর উদ্দিন চৌধুরী ও মাতা নীলা চৌধুরী। স্কুলে পড়ার সময় সালমান শাহ বন্ধুমহলে সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে পরিতি ছিলেন।। ১৯৮৬ সালে ছায়ানট থেকে পল­ীগীতিতে পাস করেছিলেন। চলচ্চিত্রে আসার আগে ১৯৯২ সালের ১২ই আগস্ট বিয়ে করেন তিনি। 

চলচ্চিত্রে আসার আগে তিনি নাটকে অভিনয় করেছিলেন। মঈনুল আহসান সাবেরের লেখা ধারাবাহিক ‘পাথর সময়’-এ একটি চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে সালমান শাহ’র অভিনয় জীবন শুরু হয়। পরবর্তীতে আরো বেশকিছু নাটকে অভিনয় করেন। ১৯৯৩ সালে সোহানুর রহমান সোহানের ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমা দিয়ে সালমান শাহ’র চলচ্চিত্রে যাত্রা শুরু। এ সিনেমার মাধ্যমে মৌসুমীরও চলচ্চিত্রে অভিষেক হয়। সিনেমাটি অসম্ভব জনপ্রিয়তা পায়। তারপর থেকে সালমান শাহকে আর পিছু ফিরে তাকাতে হয়নি। একের পর এক সুপারহিট সিনেমা উপহার দিয়ে দর্শকের মাঝে অসম্ভব ক্রেজ সৃষ্টি করেন। ১৯৯৬ সালের ৬ই সেপ্টেম্বর মারা যান বাংলাদেশের সিনেমার এই উজ্জ্বল নক্ষত্র।

সালমান শাহ অভিনীত উলে­খযোগ্য কয়েকটি সিনেমা হলো, ‘তুমি আমার’, ‘স্বপ্নের পৃথিবী’, ‘বিচার হবে’, ‘স্বপ্নের ঠিকানা’, ‘সুজন সখি’, ‘স্বপ্নের নায়ক’, ‘চাওয়া থেকে পাওয়া’, ‘আনন্দ অশ্রু’, ‘বুকের ভেতর আগুন’ ইত্যাদি। সিনেমায় আসার আগে টেলিভিশনেও কাজ করেছিলেন সালমান শাহ। ‘আকাশ ছোঁয়া’, ‘সৈকতে সারস’, ‘পাথর সময়’, ‘ইতিকথা’ ইত্যাদি নাটকে দেখা গেছে তাকে।