অ্যাম্বুলেন্সে শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় ২ আসামির রিমান্ড

সাভারের আশুলিয়ার বাইপাইলে অ্যাম্বুলেন্সের গতিরোধ করে চালককে মারধরের সময় ভেতরে শিশু রোগী আফসানার মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেফতার দুজনের প্রত্যেককে দুদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বুধবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সোয়া ৫টার দিকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন আদালত পরিদর্শক মিজবাহ উদ্দীন। এর আগে বিকেল ৫টার দিকে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কামরুন্নাহারের আদালতে আসামিদের তোলা হয়।

পরিদর্শক মিজবাহ উদ্দীন বলেন, দুপুরে পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আসামিদের আদালতে পাঠায় আশুলিয়া থানা পুলিশ। পরে তাদের বিকেল ৫টার দিকে আদালতে তোলা হলে তাদের প্রত্যেককে দুই দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

গ্রেফতার আসামিরা হলেন টাঙ্গাইল জেলার ভুয়াপুর থানার দোপাকান্দী গ্রামের আব্দুর রহমান খানের ছেলে হানিফ খান (৪০) ও টাঙ্গাইলের ভুয়াপুরের খুপিবাড়ি গ্রামের মৃত সুরুজ মন্ডলের ছেলে মো. ইমরান (২৫)। তারা দুজনই আশুলিয়ার বাইপাইলে বসবাস করে রেন্ট এ কারে প্রাইভেট কারের চালক হিসেবে কাজ করতেন। তবে প্রধান আসামি নজরুল এখনো পলাতক রয়েছে।

মৃত আফসানা গাইবান্ধা জেলা সদর থানার মধ্যধানঘড়ার শাপলামিল এলাকার আলম মিয়ার মেয়ে। তাকে নিয়ে মহাখালী ক্যানসার হাসপাতাল থেকে চিকিৎসক দেখিয়ে গ্রামে ফিরছিলেন তার বাবা।

আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সামিউল ইসলাম জানান, শিশু আফসানা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তার বাবা আলম মিয়া বাদী হয়ে সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। পরে রাতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

বাকিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেফতার আসামিদের পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে দুপুরে আদালতে পাঠানো হলে বিকেলে দুই দিনের করে দুজনেরই রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার (১ ফেব্রুয়ারি) বেলা আড়াইটার দিকে অ্যাম্বুলেন্সের চালক ও মাইক্রোবাসের চালকের মধ্যে বাগবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়। পরে বাইপাইল ত্রিমোড় এলাকায় অ্যাম্বুলেন্স আটক করে এর চালককে মারধর করে মাইক্রোবাসের চালক ও অ্যাম্বুলেন্সের চাবি নিয়ে যায় তারা। এ সময় ছটফট করতে করতে অ্যাম্বুলেন্সের ভেতরেই মারা যায় শিশু আফসানা।